শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১১ পূর্বাহ্ন
উড়ার ১০ মিনিটেই মৃত্যু; কেদারনাথে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত!
অনলাইন ডেস্ক
রবিবার (১৫ জুন) ভোররাতে ভারতের আকাশে ফের ঘটল বিপর্যয়। হিমালয়ের কোলে অবস্থিত কেদারনাথ থেকে গুপ্তকাশির পথে এক ভয়াবহ হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল পাইলটসহ সাতজনের। গণমাধ্যম এনডিটিভির বরাতে এমনটাই জানা গেছে।
উত্তরাখণ্ডের গভীর জঙ্গলে বিধ্বস্ত হয় আরিয়ান এভিয়েশনের একটি হেলিকপ্টার। উড্ডয়নের মাত্র ১০ মিনিটের মাথায় গৌরীকুণ্ড ও সোনপ্রয়াগের মাঝামাঝি বিধ্বস্ত হয় হেলিকপ্টারটি। নিহতদের মধ্যে ছিল ছয়জন তীর্থযাত্রী (পাঁচজন প্রাপ্তবয়স্ক ও একটি শিশু) এবং একজন অভিজ্ঞ পাইলট।
উত্তরাখণ্ড সিভিল এভিয়েশন ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (ইউসিএডিএ) জানিয়েছে, সকাল ৫টা ২০ মিনিটে দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত তীর্থযাত্রীরা এসেছিলেন উত্তরাখণ্ড, উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র ও গুজরাট থেকে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, দুর্ঘটনার পেছনে রয়েছে হঠাৎ প্রযুক্তিগত ত্রুটি ও প্রতিকূল আবহাওয়া।
স্থানীয় বাসিন্দারাই প্রথম দুর্ঘটনার শব্দ ও ধোঁয়া দেখে কর্তৃপক্ষকে খবর দেন। ঘটনাস্থলে ছুটে আসে জাতীয় দুর্যোগ প্রতিক্রিয়া বাহিনী (এনডিআরএফ) ও রাজ্য দুর্যোগ প্রতিক্রিয়া বাহিনী (এসডিআরএফ)-এর একাধিক দল। চলছে উদ্ধার ও অনুসন্ধান অভিযান।
উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি এক্সে (সাবেক টুইটার) লেখেন, “রুদ্রপ্রয়াগে হেলিকপ্টার দুর্ঘটনার মর্মান্তিক খবরে শোকস্তব্ধ। উদ্ধার অভিযানে এসডিআরএফ ও স্থানীয় প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছে।”
অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা ৩৮ মিনিটে আহমেদাবাদ থেকে লন্ডনের গ্যাটউইকগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি ফ্লাইট উড্ডয়নের কিছুক্ষণের মধ্যেই ভেঙে পড়ে অহমদাবাদের মেঘানিনগরে। উড়োজাহাজটিতে ছিলেন ২৪২ জন যাত্রী, যাদের মধ্যে ২৪১ জনই প্রাণ হারান।
কেবলমাত্র একজন যাত্রী—ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক বিশ্বাস কুমার রমেশ—অলৌকিকভাবে বেঁচে যান। বিমানের ধাক্কায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় মেঘানিনগরের একটি চিকিৎসক হোস্টেল, যেখানে মারা গেছেন আরও পাঁচজন।
প্রশাসন জানায়, এই বিধ্বস্ত বিমানে থাকা ও আশপাশের মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬৫ জনে। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে অন্তত ৬০ জনকে। তাদের অনেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।